লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় ১২ বছরের এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শাহজালাল হক (২৩) নামে এক মাদরাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে গ্রামবাসী।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে উপজেলার পশ্চিম ভেলাবাড়ি গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক শাহজালাল উপজেলার একটি হাফেজিয়া মাদরাসার শিক্ষক। তিনি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা কচারদ্বারা সরকারটারী গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ২১ জুলাই রাতে আবাসিকের এক ছাত্রকে নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে মুখ চেপে ধর্ষণ করেন শাহজালাল। পরদিন ওই ছাত্র বাড়ি গিয়ে আর মাদরাসায় যেতে না চাইলে কারণ জানতে চায় তার পরিবার। একপর্যায়ে সে ঘটনার বিবরণ দেয়। পরে বিষয়টি মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে অবগত করেন ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যরা।
গতকাল শুক্রবার এ নিয়ে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ও গ্রামবাসী সালিশে বসলে সেখানে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেন শাহজালাল। এ সময় উপস্থিত জনতা তাকে চড়-থাপ্পড় দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রের বাবা বাদী হয়ে মাদরাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদিতমারী থানায় মামলা করেছেন। সেই মামলায় শাহজালালকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
আদিতমারী থানার ভরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব সজীব বলেন, ছাত্রের বাবার লিখিত অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। এ মামলায় শাহজালালকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে উপজেলার পশ্চিম ভেলাবাড়ি গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক শাহজালাল উপজেলার একটি হাফেজিয়া মাদরাসার শিক্ষক। তিনি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা কচারদ্বারা সরকারটারী গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ২১ জুলাই রাতে আবাসিকের এক ছাত্রকে নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে মুখ চেপে ধর্ষণ করেন শাহজালাল। পরদিন ওই ছাত্র বাড়ি গিয়ে আর মাদরাসায় যেতে না চাইলে কারণ জানতে চায় তার পরিবার। একপর্যায়ে সে ঘটনার বিবরণ দেয়। পরে বিষয়টি মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে অবগত করেন ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যরা।
গতকাল শুক্রবার এ নিয়ে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ও গ্রামবাসী সালিশে বসলে সেখানে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেন শাহজালাল। এ সময় উপস্থিত জনতা তাকে চড়-থাপ্পড় দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রের বাবা বাদী হয়ে মাদরাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদিতমারী থানায় মামলা করেছেন। সেই মামলায় শাহজালালকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
আদিতমারী থানার ভরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব সজীব বলেন, ছাত্রের বাবার লিখিত অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। এ মামলায় শাহজালালকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক